Odd বাংলা ডেস্ক: ২১ জুলাইয়ের সকালেই স্মৃতি রোমন্থন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কীভাবে সেদিন ১৩টি প্রাণ হারিয়ে গিয়েছিল সে কথা তুলে ধরেছেন তিনি। ১৯৯৩-র ২১ জুলাই পুলিশের গুলিতে ১৩ জন কংগ্রেস কর্মীর মৃত্যু হয়েছিল। তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন রাজ্য যুব কংগ্রেস নেত্রী। সেই ঘটনা তখন গোটা দেশে আলোড়ন ফেলে দিয়েছিল। যুব কংগ্রেসের ডাকে এক প্রতিবাদ অভিযানে পুলিশের গুলিতে ওই কংগ্রেস কর্মীদের মৃত্যু হয়। এই ঘটনা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক কেরিয়ারের টার্নিং পয়েন্ট বলেই মনে করা হয়ে থাকে। কারণ তারপরেই সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে তিনি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠেন। এই ঘটনার বছর দুয়েক আগে ১৯৯১-এ বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তন ঘটেছিল বামফ্রন্ট সরকারের। তখন রাজ্যে প্রধান বিরোধী দল ছিল কংগ্রেস। বিরোধী দল কংগ্রেস সিপিএমের বিরুদ্ধে ভোটে রিগিংয়ের অভিযোগ করেছিস। স্বচ্ছ নির্বাচনের দাবিতে কংগ্রেস পার্টি তখন ভোটারদের সচিত্র পরিচয় পত্রের দাবি করেছিল। এই সচিত্র পরিচয় পত্রের দাবিতে মহাকরণ অভিযানের ডাক দিয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন যুব কংগ্রেস। এই অভিযানের সময়ই পুলিশের গুলিতে ১৩ জন কংগ্রেস কর্মীর মৃত্যু হয়েছিল।
জনমানসে এই ঘটনার ব্যাপক প্রভাব পড়ে। ওই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন উদীয়মান নেত্রী। এই ঘটনার পর বামফ্রন্ট সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের প্রধান মুখ হয়ে ওঠেন তিনি। চার বছর পর কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০১১-তে বামফ্রন্ট সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতায় এসেছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস। ক্ষমতায় আসার পর ওই ঘটনার তদন্তে বিচারবিভাগীয় তদন্ত কমিশন গঠন করেছিল তৃণমূল সরকার।১৯৯৩-এর ২১ জুলাইয়ের ঘটনার পর থেকে প্রতি বছর এই দিনটি শহিদ দিবস হিসেবে পালন করে তৃণমূল।
আজ সকালে সেই ২৮ বছর আগের স্মৃতি আরও একবার উস্কে দিলেন অগ্নিকন্যা
My heartfelt tribute to the 13 innocent lives that were lost on this day in 1993. I urge all my brothers & sisters to join me today at 2PM in a virtual meet to honor the brave souls.
— Mamata Banerjee (@MamataOfficial) July 21, 2021
Our voices against those committing inhumane atrocities shall keep growing louder.#ShahidDibas






Post a Comment