সায়রা বানুর সঙ্গে দিলীপ কুমারের বিয়ের খবর শুনে অসুস্থ হয়ে পড়েন মধুবালা, তারপর...
Odd বাংলা ডেস্ক: প্রায় ছয় দশকেরও বেশি সময়ের কেরিয়ারে দিলীপকুমার অভিনয় করেছেন ৬৫টিরও বেশি ছবিতে। ‘দেবদাস’, ‘কোহিনুর’, ‘মধুমতী’, ‘মুঘল-এ আজম’, ‘গঙ্গা যমুনা’, ‘রাম অউর শ্যাম’, ‘শক্তি’ , ‘মসান’, ‘ক্রান্তি’, ‘সওদাগর’-সহ অসংখ্য ছবির নায়ক হয়ে গেলেন বলিউডের ‘ট্র্যাজেডি কিং’।
'ট্রাজেডি কিং'-এর কেরিয়ারের মতো রঙিন তাঁর ব্যক্তিগত জীবনও। ১৯৪৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘শহিদ’ ছবিতে দিলীপকুমারের নায়িকা ছিলেন কামিনী কৌশল। এই ছবিতে অভিনয় করার সময়ে তাঁদের প্রেম ছিল ইন্ডাস্ট্রির এক বহুচর্চিত বিষয়। তাঁরা বিয়ে করবেন বলেও ঠিক করেন। কিন্তু বাধা দেন কামিনীর দাদা। তিনি রাজি ছিলেন না এই সম্পর্কে। শোনা যায় তিনি দিলীপকুমারকে হুমকিও দিয়েছিলেন।তারপরই তাঁদের সম্পর্ক ভেঙে যায়। সে বছরই নিজের প্রয়াত দিদির স্বামীকে বিয়ে করেন কামিনী। দুর্ঘটনায় নিহত দিদির দুই মেয়ের মুখ চেয়েই এই সিদ্ধান্ত নেন কামিনী।
এরপর দিলীপকুমার প্রেমে পড়েন মধুবালার। দীর্ঘ ৭বছর চলে তাঁদের প্রেমপর্ব। কিন্তু দুই তারকার সম্পর্ক ভেঙে যায় তাঁদের ইগোর সমস্যায়। শোনা যায়, একটি ছবির শুটিং লোকেশনে মধুবালাকে যেতে দিতে রাজি ছিলেন না তাঁর বাবা। পরিচালক-প্রযোজক দিলীপ কুমারকে অনুরোধ করেন যে, তিনি যেন মধুবালার বাবার সঙ্গে কথা বলেন। দিলীপকুমারের অভিযোগ ছিল, মধুবালার বাবা তাঁকে অপমান করেছেন।
এদিকে মধুবালার বক্তব্য ছিল, দিলীপকুমারের কাছে অপমানিত হয়েছেন তাঁর বাবা আতাউল্লাহ খান। বাবার বিরুদ্ধাচারণ করতে পারেননি মধুবালা। এমনকি তাঁর কথায় আতাউল্লাহর কাছে ক্ষমাও চাননি দিলীপকুমার। সম্পর্কের চাপানউতরের জেরে ভেঙে যায় দিলীপকুমার-মধুবালা প্রেম।
এরপর ১৯৬০ সালে মধুবালা বিয়ে করেন কিশোর কুমারকে। কিন্তু দিলীপকুমার বেশ কয়েক বছর কোনও সম্পর্ক থেকে দূরে ছিলেন। ১৯৬৬ সালে তিনি বিয়ে করেন সায়রা বানুকে। শোনা যায়, তাঁর বিয়ের খবরে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন অসুস্থ মধুবালা। তার তিন বছর পরে মাত্র ৩৬ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।





Post a Comment