শিক্ষার্থীদের জন্য দুর্দান্ত স্কলারশিপ! কখন, কীভাবে আবেদন করবেন জানুন বিশদে
Odd বাংলা ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকার প্রতিবছর আর্থিকভাবে দুর্বল ও মেধার ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ধরণের বৃত্তি প্রদান করে থাকে। শুধু আর্থিক সহায়তা নয় নানা ধরণের ভাতাও সরবরাহ করা হয়ে থাকে। এরকমই শীর্ষ পাঁচটি বৃত্তি সম্পর্কে আজকে আমরা আলোচনা করছি, যার মাধ্যমে প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ শিশু উপকৃত হয়। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক সেই স্কলারশিপ সম্পর্কে -
ন্যাশনাল মিনস- কাম- মেরিট স্কলারশিপ (NMMS)
এই স্কিমটি অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল, বুদ্ধিমান শিক্ষার্থীদের সহায়তা করে। বর্তমানে নবম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের মাধ্যমিক স্তরে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য বার্ষিক বৃত্তি প্রদান করা হয়। শিক্ষার্থীদের পরিবারের মোট বার্ষিক আয় ১.৫০ লক্ষ টাকার কম হলে তবেই আবেদন করতে পারবেন। শিক্ষার্থীদের অবশ্যই সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণীতে ৫৫% নম্বর পেতে হবে। স্কলারশিপ হিসাবে বছরে ১২ হাজার টাকা দেওয়া হয়। অগাস্ট থেকে নভেম্বরের মধ্যে আবেদন জমা নেওয়া হয়। ন্যাশনাল স্কলারশিপ পোর্টালের https://scholarships.wbsed.gov.in/ মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করা হয়ে থাকে।
ন্যাশনাল ট্যালেন্ট সার্চ এক্সাম (NTSE)
এই স্কলারশিপের জন্যে পরীক্ষা নেওয়া হয়ে থাকে। ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ এডুকেশনাল রিসার্চ এন্ড ট্রেনিং (NCERT) এই পরীক্ষার দায়িত্বে থাকে। সরকারি স্বীকৃত বিদ্যালয়ে দশম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা এই বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। পরীক্ষাটি দুটি স্তরে অনুষ্ঠিত হয়- রাজ্য স্তর এবং সর্বভারতীয় স্তরে। স্কলারশিপ হিসাবে প্রতি মাসে ১,২৫০ টাকা দেওয়া হয়। আবেদনের সময়- আগস্ট থেকে সেপ্টেম্বর। সংশ্লিষ্ট রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসারদের মাধ্যমে আবেদন করতে হয়। কিংবা অনলাইনে https://scholarships.wbsed.gov.in/index.php এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করা যেতে পারে।
সিঙ্গল গার্ল চাইল্ড স্কিম
এই মেধা ভিত্তিক বৃত্তিটি এমন শিক্ষার্থীদের জন্য যারা পরিবারের একমাত্র বালিকা শিশু। এই স্কিমের উদ্দেশ্য হ'ল বাবা-মায়েদের মেয়েদের শিক্ষার প্রসারের প্রচেষ্টাকে আরও জোরদার করা। CBSE-ভুক্ত স্কুলে একাদশ বা দ্বাদশ শ্রেণিতে অধ্যয়নরত ছাত্রী এবং শিক্ষাবর্ষ চলাকালীন যাদের টিউশন ফি প্রতি মাসে ১,৫০০ এর কম, তারা এই প্রকল্পের জন্য আবেদন করতে পারবে। যোগ্যতা হিসাবে সিবিএসই বোর্ড থেকে দশম শ্রেণীর পরীক্ষায় ৬০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে। স্কলারশিপ হিসাবে ২ বছর (একাদশ ও দ্বাদশ) প্রতি মাসে ৫০০ টাকা প্রদান করা হয়। সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবর মাসে সিবিএসই-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট https://www.cbse.gov.in/Scholarship/Webpages/Guidelines%20and%20AF.html গিয়ে আবেদন করা যেতে পারে।
সংখ্যালঘুদের জন্যে প্রি-মেট্রিক স্কলারশিপ
ভারত সরকারের সংখ্যালঘু উন্নয়ন মন্ত্রক দ্বারা আয়োজিত এই বৃত্তির উদ্দেশ্য সংখ্যালঘু শিক্ষার্থীদের শিক্ষার প্রসার ঘটানো। এই বৃত্তির জন্য, শিক্ষার্থীদের অবশ্যই পূর্ববর্তী শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষায় কমপক্ষে ৫০% নম্বর থাকতে হবে। এছাড়াও, বার্ষিক পারিবারিক আয় ১ লক্ষ টাকার কম হতে হবে। এই স্কলারশিপ শুধুমাত্র সংখ্যালঘু শিক্ষার্থীদের জন্যে। স্কলারশিপ হিসাবে পরবর্তী শ্রেণীতে ভর্তির খরচ, টিউশন ফি এবং অন্যান্য ভাতা দেওয়া হয়। ন্যাশনাল স্কলারশিপ পোর্টাল https://scholarships.gov.in/ দ্বারা আবেদন করা যেতে পারে।
প্রি-মেট্রিক স্কলারশিপ
এই স্কলারশিপটি দেওয়া হয় Department of Empowerment of Persons with Disabilities এর মাধ্যমে । নবম ও দশম শ্রেণীতে পাঠরত প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের এই স্কলারশিপ দেওয়া হয়। তবে একটা বিষয় মাথায় রাখতে হবে যারা ৪০ শতাংশ বা তার বেশি প্রতিবন্ধী একমাত্র তারাই এই স্কলারশিপ পাবে। পরিবারের বার্ষিক আয় আড়াই লক্ষের নীচে থাকতে হবে। এই স্কিমের আওতায় যোগ্য শিক্ষার্থীরা ভরণপোষণ ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা এবং বইয়ের অনুদান পাবেন। ন্যাশনাল স্কলারশিপ পোর্টাল http://disabilityaffairs.gov.in/contenthi/page/scholarship-hi.php
দ্বারা আবেদন করা যেতে পারে।





Post a Comment