যৌনাঙ্গ 'টাইট' করতে বোলতার বাসা!

ODD বাংলা ডেস্ক: সামাজিক মাধ্যমগুলোতে চর্চার বিষয়ের অভাব নেই। যার মধ্যে একটি জনপ্রিয় বিষয় হল যৌনজীবন। আর সেই চর্চাতেই এবার জানা গেলো মহিলাদের একটি ভয়ঙ্কর অভ্যাসের কথা। যৌনাঙ্গ ‘টাইট’ বা আঁটসাঁট করতে এক ঝুঁকিপূর্ণ উপায় খুঁজে বের করেছেন অনেক মহিলাই, যা শুনলে অনেকেই শিউরে উঠবেন।
জানা গেছে, ওক গাছে তৈরি হওয়া বোলতার বাসার একটি বিশেষ অংশ যোনিতে প্রবেশ করিয়ে তা ‘টাইট’ করার চেষ্টা করেন মহিলারা। বিশেষত যাঁরা ইতিমধ্যেই সন্তানের জন্ম দিয়ে ফেলেছেন, তাঁদের মধ্যেই এ প্রবণতা বেশি দেখা যায়। শুনলে অবাকই হতে হয়। কারণ এমন উপায়ে যোনি সংকুচিত করা বেশ ভয়ঙ্কর জেনেও সঙ্গম মধুর করে তুলতে এ কাজ করেন অনেকেই।

এবার জেনে নেয়া যাক, কোন্‌ পদ্ধতিতে এ কাজ করেন মহিলারা? ওক গাছের পাতায় বোলতার ডিম পাড়ায় একসময় গাছের সেই অংশটি ফুলে ওঠে। আর তাতেই জন্ম নেয় বোলতার লার্ভা বা গুটিপোকা। ওক গাছের এই ফুলে ওঠা অংশটিই দেদার বিকোচ্ছে আমাজনের মতো ই-কমার্স ওয়েবসাইটগুলিতে।

প্রসবের পর সাধারণত যোনিদ্বার টাইট থাকে না। তা আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরানোর জন্য ওই ওক গাছের স্ফীত অংশটি যোনিতে প্রবেশ করান মহিলারা। এর ফলে সেই অংশ আগের চেয়ে অনেকটাই ভরাট হয়ে যায়। সন্তান প্রসবের ফলে যৌনাঙ্গের যে-অংশগুলি কেটে যায়, সেই ক্ষতও ঢেকে দিতে সাহায্য করে ওক গাছের অংশটি। ফলে যৌনাঙ্গ আগের চেয়ে অনেক বেশি টাইট হয়। তবে পুরোটাই হয় চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনেই।

হলিউড তারকা পালট্রো একটি ব্লগে এর উপকারিতা তুলে ধরেছিলেন। জানিয়েছিলেন, এই পদ্ধতিতে নাকি মহিলাদের অর্গ্যাজম বা চরম পুলকের মাত্রা বাড়ে। পাশাপাশি বিভিন্ন হরমোনের মধ্যে সামঞ্জস্য বজায় থাকে। এমনকী নারীসুলভ এনার্জিও দ্বিগুণ হয়ে যায়। একটি ওয়েবসাইট আবার দাবি করেছে, এটি ক্যানসার প্রতিরোধেও সক্ষম।

তবে এসব দাবিকে ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করে একজন কানাডীয় স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ জানান, এর ফলে মহিলাদের যৌনাঙ্গ বিষাক্ত ব্যাকটিরিয়ায় আক্রান্ত হতে পারে। হরমোন ব্যালেন্সিংয়ের কাজও করে না এটি। উল্টে সঙ্গমের সময় ঘর্ষণের ঝুঁকি আরো বাড়িয়ে দেয়। যোনিকে শুকনো করে দিয়ে শ্বেতসার স্তর কমিয়ে দেয় এটি, যা শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর।

এখানেই শেষ নয়, চিকিৎসকের মতে, যোনিতে উপস্থিত ভালো ব্যাকটেরিয়াগুলিকে মেরে দিয়ে এইচআইভি'র আশঙ্কাও বাড়িয়ে তুলতে পারে বোলতার বাসা।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.