চিনি খাওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করার উপায়

 


ODD বাংলা ডেস্ক:  মিষ্টি খেতে ভালোবাসেন এমন মানুষের সংখ্যা নেহায়েত কম নয়। আর মিষ্টি যারা ভালোবাসেন চিনি না হলে কি তাদের চলে? কিন্তু এ কথা সবারই জানা যে, চিনি শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। কিন্তু ক্ষতিকর জানা সত্ত্বেও চিনির প্রতি যখন আকর্ষণ কাজ করে, তখন তাকে ‘নেশা’ বললে অত্যুক্তি হবে না।


চিনি বা মিষ্টিজাতীয় খাবার খাওয়ার সঙ্গে মানসিক বিষয়েরও কিছুটা সম্পর্ক রয়েছে। এ কারণে চিনির প্রতি নেশা তৈরি হলে স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে অনেক বেশি চিনি খেতে ভালো লাগে।


চিনি খাওয়ার প্রতি মোহ বেশি থাকলে হঠাৎ কমিয়ে ফেলা অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। সেক্ষেত্রে কৌশলে কিছু পরিবর্তন এনে চিনি খাওয়ার মোহ অনেকটাই কাটিয়ে উঠতে পারবেন। তাহলে জেনে নিন চিনির মোহ কাটানোর কিছু উপায়-


চিনির বিকল্প বেঝে নিন

চিনির প্রতি তীব্র মোহ কাটাতে চিনির বিকল্প বেছে নিতে হবে। সাদা চিনি খাওয়া একেবারেই বাদ দিতে হবে। লাল চিনি বা ব্রাউন সুগার খেতে পারেন, এটি সাদা চিনির চেয়ে কম ক্ষতিকর। এছাড়া মিষ্টি ফল, ফলের সালাদ বা কাস্টার্ড ভালো সমাধান। খেজুর, মধু, গুড়, কিশমিশ খেয়েও কিন্তু মিষ্টির মোহ কমাতে পারেন। এগুলো ততটা ক্ষতিকর নয়। কৃত্রিম চিনির বদলে প্রাকৃতিক চিনি, যেমন স্টিভা নামের একধরনের পাতা খেতে পারেন, যা চিনির স্বাদ দেবে কিন্তু চিনির মতো ক্ষতিকর নয়।


মন খারাপ থাকলে অনেকেই চিনি বা মিষ্টিজাতীয় খাবার খেতে পছন্দ করেন। কিন্তু মন খারাপ হলে মিষ্টি খাওয়া কোনো সমাধান নয়। অনেক ক্ষেত্রে মনে হয় তা মন ভালো করছে, তবে এটি খুবই অস্থায়ী অনুভূতি।


জল পান

চিনির প্রতি মোহ হতে থাকলে সঙ্গে সঙ্গে এক গ্লাস জল পান করতে পারেন। এই উপায় অনেক ক্ষেত্রে সাহায্য করে।


ফল খাওয়া

চিনির মোহ কাটাতে ফল খেতে পারেন। খুব চিনি খেতে ইচ্ছা করলে মিষ্টি ফল খান। এতে ধীরে ধীরে মোহ কাটবে।


আমিষ খাওয়া

চিনি যেহেতু শরীরে শক্তি যোগায়, তাই এর বিপরীতে আমিষ খেতে পারেন। চিনি খাওয়ার পর যে অনুভূতি হয়, তার অনেকটাই পাওয়া যায় আমিষ খাওয়ার পর।


ঘুম

শরীর ও মন সুস্থ রাখতে পর্যাপ্ত ঘুম দরকার। চিনি না খেয়েও মন যেন ভালো থাকে এবং শরীর প্রয়োজনীয় এনার্জি পায়, তাই পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করতে হবে।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.