চোখ রাঙাচ্ছে Omicron, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ভারতে আসা যাত্রীর শরীরে মিলল সংক্রমণ
মুম্বইয়ের ডোম্বিভলির ৩২ বছর বয়সী বাসিন্দা ২৪ নভেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকার কেপ টাউন থেকে দিল্লি হয়ে, পৌঁছান। সেখানে তাঁর করোনা পরীক্ষার পর কানেকটিং উড়ান ধরে মুম্বইয় আসেন। পরীক্ষায় ধরা পড়ে যে ওই ব্যক্তির শরীরে করোনা ভাইরাস রয়েছে। যদিও আক্রান্ত ব্যক্তি উপসর্গহীন। বাড়ি ফিরেই মুম্বইয়ে হোম কোয়ারেন্টিন ছিলেন ওই ব্যক্তি। পরে অবশ্য পুরসভার তরফে তাঁকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়।
এখন ওই ব্যক্তির কোপ্যাসেঞ্জারদের খোঁজ চলছে। গোটা বিষয়টি এয়ারপোর্ট অথরিটিকেও জানানো হয়েছে বলে খবর। মহারাষ্ট্রের অতিরিক্ত সচিব (স্বাস্থ্য) ডাঃ প্রদীপ ব্যাস জানিয়েছেন, ‘জেনোম সিকোয়েন্সের জন্য ওই ব্যক্তির নমুনা পাঠানো হয়েছে। ওই পরীক্ষাতেই বোঝা যাবে যে তিনি ওমিক্রনে আক্রান্ত কিনা।’
করোনার প্রথম ঢেউয়ে বড়সড় বিপর্যয়ের মুখে পড়েছিল মুম্বই সহ গোটা মহারাষ্ট্র। তাই আগে থেকেই সতর্ক হতে তারা। মুম্বইয়ের মেয়র জানিয়েছেন, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে শহরে কেউ এলে কোয়ারেন্টাইন বাধ্যতামূলক। কোয়ারেন্টাইনে থাকার সময় কোভিড ধরা পড়লে জেনোম সিকোয়েন্সিং করাতে হবে। অর্থাৎ করোনা ভাইরাসের প্রজাতি, জিনগত তথ্য নির্ণয়ের পরীক্ষা করাতেই হবে।
এদিকে ক্রমেই উদ্বেগ বাড়াচ্ছে করোনার নতুন প্রজাতি ওমিক্রন। ফলে আর ঝুঁকি নিতে নারাজ কেন্দ্র। আগেইভাগেই জারি করা হয়েছে সতর্কতা। রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলগুলিকে নির্দেশিকায় বলা হয়েছে বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের আগের ১৪ দিনের ট্রাভেল হিস্ট্রি জমা করতে হবে। পাশাপাশি বিদেশ থেকে ভারতে আসা যাত্রীদের আরটিপিসিআর পরীক্ষার নেগেটিভ রিপোর্ট জমা করতে হবে। যাত্রার আগের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে করাতে হবে আরটিপিসিআর পরীক্ষা। রিপোর্ট ভুয়ো হলে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধের মামলা রুজু হবে।
বর্তমানে যে ১২টি দেশকে আপাতত ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে ধরা হয়েছে, সেগুলো হল দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রাজিল, বৎসোয়ানা, বাংলাদেশ, ব্রিটেন, চীন, মরিশাস, নিউজিল্যান্ড, জিম্বাবোয়ে, সিঙ্গাপুর, হংকং, ইজরায়েল। এই দেশগুলো থেকে যাঁরা আসবেন, তাঁদের এদেশের বিমানবন্দরে অবতরণের পর ফের পরীক্ষা করাতে হবে। সেই রিপোর্টের জন্য বিমানবন্দরে বসেই অপেক্ষা করতে হবে। রিপোর্ট নিয়ে তবেই বিমানবন্দর থেকে বেরোতে পারবেন, নয়তো কানেকটিং ফ্লাইট ধরা যাবে না।





Post a Comment