ঘণ্টার পর ঘণ্টা ঘোড়ার মতই বিচরণ এই নারীর!
ODD বাংলা ডেস্ক: ছোট বেলায় আমরা কত কী করি। বড় হয়ে সে সব আমাদের কাছে হাস্যকর মনে হয়। এমনও সময় গেছে, যেখানে আমরা কাটিয়েছি, সাদা কাগজে খেলতে খেলতে। এছাড়া প্ল্যাস্টিক বল দিয়ে ছুটেছি সারা বেলা। বাবা মায়েদের কাছ থেকে শোনা, ওই সময় কোনো একটি খেলনার জিনিসের জন্য কেঁদেছি ঘণ্টার পর ঘণ্টা। মূলত ওই সময়টা একটা শিশুর নির্বোধ কাজ-কর্মের মধ্য দিয়ে যায়, যা তখন শিশুদের আনন্দ দিলেও এখন হাসায়।
ওই সময় শিশুদের অনেকে বাবার পিঠে হরহামেশা ঘোড়া ঘোড়া খেলে থাকে, আবার কেউ কখনো মুরগি, কখনো হাসও বনে যায়। কিন্তু বড় হয়ে ঘোড়া বা হাঁস বা মুরগির মতো দৌড়ানো কিংবা লাফানো দূরে থাক, এদের আশপাশেও যায় না শিশুরা। বড় হলে এসব চিন্তারও বাইরে। কিন্তু হাস্যকর এই ঘটনাগুলোকে বাস্তবে রূপ দিয়েছেন নরওয়ের আয়লা ক্রিস্টিন নামের এক নারী।
ছোট বেলায় তিনি নাকি বাবার সঙ্গে ঘোড়ার মতো দৌড়াতে ও লাফাতে ভীষণ পছন্দ করতেন, তবে বড় বেলায় এসেও তার সেই দৌড়ানো ও লাফানোর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। বিজনেস ইনসাইডারের খবরে বলা হয়েছে, আয়লা ক্রিস্টিনের এই দক্ষতার ভিডিও সামাজিক যোগযোগমাধ্যম টুইটারে ভাইরাল হয়েছে। তিনি শুধু ঘোড়ার মতো করে দৌড়ান না, বরং কাঠের বেঞ্চে ঘোড়ার মতো করে লাফ দেয়ার জন্যও তিনি প্রস্তুত।
আয়লা ক্রিস্টিন বড় হয়েও ছোট বেলার সব চর্চা ধরে রেখেছিলেন। তাই বড় হয়েও তিনি ঘোড়ার মতো দৌড়াতে ও লাফাতে সক্ষম। এদিকে তার ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, ক্রিস্টিন দুই হাত ও দুই পা দিয়ে ঘোড়ার মতো দৌড়াচ্ছেন। কখনো কাঁচা রাস্তা দিয়ে, আবার কখনো বাড়ির লনে ঘাসের ওপর, এমনকি একটি কাঠের টেবিলের উপর ঘোড়ার ভঙ্গিতে লাফাতেও দেখা যাচ্ছে তাকে। কখনো আবার ঘোড়ার মতো দুলকি চালে চার পায়ে হেঁটে আসতে দেখা গেছে ওই নারীকে।
এদিকে, আয়লা ক্রিস্টিনের সেই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুমুল ভাইরাল হয়েছে। টুইটারে ৪৫ সেকেন্ডের এই ভিডিওটি এরই মধ্যে আপলোড করা হলে, মাত্র কিছু সময়ের মধ্যে এটি দুই কোটি বার দেখা হয়েছে। এরই মধ্যে ইন্টারনেটও তাকে ‘ঘোড়া মহিলা’ বলে ডাকা শুরু করেছে। এখন নেটে গিয়ে ‘woman running and jumping like horse’ লিখলে মেয়েটির ভিডিও সামনে চলে আসছে। এর মাধ্যমে বোঝা যাচ্ছে, ভিডিওটি কতটা ভাইরাল হয়েছে!
ছোট বেলার অভিজ্ঞতা বলতে গিয়ে সংবাদ মাধ্যমে কথা বলেছেন ক্রিস্টিনা। তিনি বলেন, যখন আমার চার বছর বয়স ছিল, তখন আমি কুকুর পছন্দ করতাম এবং নিজে নিজেই কুকুর হতে চেয়েছিলাম। তাই যখন থেকে আমি ঘোড়া পছন্দ করি, তখন থেকেই আমি তা শিখেছি।
এখন আপনি ঘোড়ার মতো দৌঁড়াতে পারেন, কিন্তু এভাবে দৌড়ালে আপনার কোমরে ব্যথা অনুভব হয় না? এমন প্রশ্ন করা হলে, নরওয়ের ওই নারী বলেন, আমি সত্যিই জানি না; আমার দেহে কোনো ব্যথা হয় কিনা। তবে আমি এখন এতে পুরোপুরি অভ্যস্ত, তাই ব্যথা বা খারাপ কোনো কিছু অনুভব করতে পারি না।
এদিকে, ক্রিস্টিনের এই ভিডিওর পরে আরো অনেকের ভিডিও সেই কমেন্টস-এ যুক্ত হয়েছে। এতে প্রতীয়মান হয় যে, শুধু তিনি একাই নয় বরং এই রকম অদ্ভুত দক্ষতা আরো অনেকেরই রয়েছে। তারপরও ক্রিস্টিনের ভিডিও সামনে আসতেই সেগুলোও সামনে আসতে শুরু করেছে।
তবে এর আগেও বিভিন্ন সময় ক্রিস্টিনের ভিডিও প্রকাশ্যে আসে, কিন্তু সেগুলো ওইভাবে ভাইরাল হয়নি। তবে এবারের ভিডিও সামনে আসাতে মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লেন ওই নারী। এরপর থেকে অনেকেই তার ভিডিও দেখেই চলেছেন। যা ভিউয়ারস সংখ্যা দেখলে বুঝতে পারবেন যে কেউই।





Post a Comment