Odd বাংলা ডেস্ক: শীত পড়তেই বাঙালির উদরপূর্তি করে পিঠে। আর সেই তালিকাতে সবচেয়ে ওপরে থাকে ভাপা পিঠে। অগ্রহায়নের শেষ। ঘরে ঘরে উঠতে শুরু করেছে নতুন ধান। সামনেই পৌষ। পিঠে পুলির মাস। এরই মধ্যে শীতের প্রারম্ভে হরিশ্চন্দ্রপুর এর বিভিন্ন জনবহুল এলাকাগুলিতে ভাপা পিঠা বিক্রি শুরু হয়ে গেল। হরিশ্চন্দ্রপুর এলাকায় এই ভাপা পিঠে ভাককা নামে পরিচিত। নতুন ধানের চালের গুঁড়ো ও সামান্য গুড় দিয়ে নারকেলের মালাই তে ভরে সেটা কাঠের উনুনে ফুটন্ত জল মুখ বন্ধ হাঁড়ির মধ্যে রাখা রেখে তা ভাপে সিদ্ধ করা হয়। নতুন ধানের চালের গুঁড়ো আর আখের গুড় তার সঙ্গে কাঠের আগুনে ওঠা ধোয়ার গন্ধ মিলেমিশে এই ভাপা পিঠা তে এক অনবদ্য স্বাদ নিয়ে আসে। যা যেকোনো নামিদামি রেস্তোরাঁর খাবার কে ও হার মানাবে।
তবে করো না পরিস্থিতিতে এবার ভাপা পিঠের বাজার যথেষ্টই মন্দা। প্রতিবছর হরিশ্চন্দ্রপুর এর বিভিন্ন জনবহুল জায়গা যেমন হরিশ্চন্দ্রপুর স্টেশন মোড় কিংবা থানা মোড় বা বারদুয়ারী মোড়ে শীতের সময় ভাপা পিঠে বিক্রেতাদের ভিড় লক্ষ্য করা যেত। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এ বছর তা প্রায় নেই বললেই চলে। পিঠে বিক্রেতা বছর ষাটের মৃণালিনী সাহার কথায়, এবছর করোনাভাইরাস এর জন্য বিক্রি অনেকটাই কম। তবে বিক্রি বাড়বে বলে আশাবাদী তিনি। ভাপা পিঠা কিনতে আসা শিক্ষা দপ্তরের কর্মী সন্তোষ রজক জানালেন, এই বছর করোনা পরিস্থিতি গুটিকয়েক বিক্রেতাই এই পিঠা বানাচ্ছে। বিক্রি না হওয়ার ভয়েই অনেক পুরনো পিঠা বিক্রেতা এই পেশায় এবার আসেনি।





Post a Comment