জেনে নিন যেসব খাদ্যাভ্যাসে পেটের মেদ বাড়বে না

 


ODD বাংলা ডেস্ক:  সুস্থ জীবনযাত্রা মেনে চললে এবং নিয়মিত সঠিক যত্ন নিলে পেট সমতল রাখা যায়।


জল পানের পরিমাণ বাড়ানো


সুস্থ থাকতে পর্যাপ্ত জল পান করা জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, পেট সমতল রাখতে চাইলে পর্যাপ্ত জল পান আবশ্যক।


যুক্তরাষ্ট্রের ‘লাইফ টাইম লাইফ অ্যাথলেটিক’য়ের প্রশিক্ষক এবং নিবন্ধিত পুষ্টিবিদ সামান্তা ম্যাককিনি বলেন, “প্রতিদিন দেহের ওজনের অর্ধেক আউন্স পরিমাণ জল পান করা উচিত।”


ইট দিস নট দ্যাট ডটকম’য়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এই পুষ্টিবিদের উদ্ধৃতি দিয়ে আরও জানানো হয়, জল কেবল দেহকে আর্দ্র রাখে না পাশাপাশি বিষাক্ত উপাদান দূর করে ও শক্তি বাড়ায়।


এছাড়াও সোডা, মিষ্টি ও কফি ও কোমল পানীয় গ্রহণের পরিমাণ হ্রাস করে।


প্রোটিন ধরনের খাবার খাওয়া


প্রোটিন-জাতীয় খাবার হজম হতে বেশি সময় নেয়। ফলে অনেকক্ষণ পেট ভরা থাকে। এতে করে বাইরের অস্বাস্থ্যকর খাবারের ঝোঁক হ্রাস পায় এবং পেটে বাড়তি মেদ জমার সম্ভাবনা কমে।


ম্যাককিনি বলেন, “সারা বেলার সকল খাবার থেকে দেহের ওজনের প্রতি পাউণ্ডের জন্য এক গ্রাম প্রোটিন গ্রহণ করা আদর্শ।”


পর্যাপ্ত প্রোটিন গ্রহণ প্রাকৃতিকভাবেই রক্তের শর্করা ও ইন্সুলিন নিয়ন্ত্রণে রাখে। আর প্রক্রিয়াজাত খাবারের আগ্রহ নষ্ট করে।


প্রচুর সবজি খাওয়া


মনে হতেই পারে যে, আপনি পর্যাপ্ত সবজি খাচ্ছেন। তবে তা সবসময় ঠিক নয়।


ম্যাককিনির মতে, মেদহীন সমতল পেটের জন্য প্রচুর পরিমাণে সবজি খাওয়া জরুরি। তিনি দৈনিক পাঁচ থেকে সাত কাপ শ্বেতসার বিহীন সবজি খাওয়ার পরামর্শ দেন।


ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, “এতে করে প্রয়োজনীয় ভিটামিন, খনিজ এবং ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট পাওয়া যায়। যা ক্ষুধা নিবারণকারী আঁশের সংখ্যা বাড়ায়, হরমোনের ভারসাম্য রক্ষা করে এবং ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে রাখে।”


ধীরে খাবার খাওয়া


ব্যস্ততার চাপে অনেকেই তাড়াহুড়া করে খাবার খাওয়ায় অভ্যস্ত হয়ে যান। তবে মনে রাখা জরুরি, পেট সমতল রাখতে চাইলে খাবার খেতে হবে ধীর গতিতে।


পেট গ্যাস ও ফোলাভাব সৃষ্টি হওয়ার দুইটি মূল কারণ রয়েছে- এক হচ্ছে খাওয়ার সময় বাতাস এবং কার্বোহাইড্রেইট গেলা।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.