চুলের যাবতীয় সমস্যা নির্মূল করবে তেজপাতা
ODD বাংলা ডেস্ক: পায়েস, পোলাও, মাংস কিংবা অন্যান্য খাবারে সুগন্ধ ছড়াতে তেজপাতা অতুলনীয়। তাছাড়া তেজপাতা একটি ওষুধি পাতাও। আদিকাল থেকেই নানান রোগের উপসম হিসেবে তেজপাতা ব্যবহার হয়ে আসছে। এছাড়াও প্রাচীন গ্রীকে ঐতিহ্যগত ওষুধ তৈরিতে তেজপাতা ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়।
তবে খাবারে সুগন্ধ ছড়ানো এবং ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা ছাড়াও রূপচর্চায় তেজপাতা ব্যবহার হয়ে থাকে। বিশেষ করে চুলের যত্নে তেজপাতা দারুণ কার্যকরী। চুলের যেকোনো সমস্যা দিন কয়েকে কমিয়ে দিতে পারে তেজপাতা।
চলুন তবে জেনে নেয়া যাক কীভাবে নিয়মিত তেজপাতা ব্যবহার করে সহজেই নির্মূল করতে পারবেন আপনার চুলের যাবতীয় সমস্যা-
খুশকি তাড়াতে
চারটি ভালো তেজপাতা গ্রাইন্ডারে বা শিলনোড়া দিয়ে গুঁড়া করুন। আধাকাপ নারকেল তেলে ওই পাতার গুঁড়াটা ঢেলে দিন। নারকেল তেলের বদলে অলিভ অয়েলও নিতে পারেন। পাতার গুঁড়া মেশানো তেলটা মিনিট পাঁচেক হালকা আঁচে গরম করে নিন। তারপর এই গরম তেলে তুলা ভিজিয়ে চুলের গোড়ায় গোড়ায় আর চুলে মেখে খুব ভালো করে মাসাজ করুন। এক ঘণ্টা রেখে শ্যাম্পু করে নিন। কন্ডিশনার মাখতেও ভুলবেন না। সপ্তাহে একদিন ব্যবহার করলে ধারেপাশেও আর ঘেঁষবে না খুশকি।
চুল ওঠা বন্ধ করতে
তেজপাতার নির্যাস ব্যবহার করলে মাত্র পনেরো দিনের মধ্যে চুল ওঠা চোখে পড়ার মতো কমে যাবে। তার জন্য গোটা দশেক ভালো তেজপাতা জলে পরিষ্কার করে ধুয়ে নিন। এবার একটা পাত্রে এক লিটার জল গরম করুন। জল ফুটে গেলে তাতে তেজপাতাগুলো দিয়ে দিতে হবে। তেজপাতা সমেত জল পাঁচ থেকে ছ’ মিনিট ফুটতে দিন। তারপর আঁচ থেকে নামিয়ে ঠাণ্ডা করে তেজপাতা তুলে ফেলে দিন। এই তেজপাতা ফোটানো জল দিয়ে চুল আর মাথা ধুয়ে নিন। প্রতিদিন ব্যবহার করা যাবে।
রুক্ষ চুলের যত্নে
দু’কাপ জলে চার-পাঁচটা তেজপাতা দিয়ে ফুটিয়ে নিন। ফুটে গেলে তেজপাতা ফেলে দিয়ে জল ছেঁকে নিন। শ্যাম্পু করা চুলে এই জল ঢেলে মিনিট পাঁচেক অপেক্ষা করুন, তারপর পরিষ্কার জল দিয়ে ধুয়ে নিন। সপ্তাহে একদিন করলে চুলের রুক্ষতা অনেক কমে যাবে, চুল ওঠাও কমবে।





Post a Comment