কম ঘুমেই বিপদ, বলছে গবেষণা



ODD বাংলা ডেস্ক:  ঘুমানো বা রেস্ট নেওয়া আমাদের জীবনে খুব জরুরী একটা পার্ট। সারাদিন কাজের পর ভালো ঘুম অবশ্যই দরকার। পরের দিন সুস্থ ভাবে কাজের জন্য ঘুমটা আমাদের সকলের জন্য আবশ্যিক। কিন্তু চাইলেই তো আর সব কিছু হয় না। সেরকমই ঘুমও নিজের ইচ্ছা মতো হয় না। সাধারনত আমাদের প্রতেকের উচিৎ সারাদিনে ৬ ঘন্টা ঘুমানো।


কিন্ত উচিৎ অনুযায়ী তো আর ঘুম আসে না। কাজের চাপে প্রায় সময়ই ঠিক ভাবে ঘুম হয় না। যারা শারীরিক ভাবে সক্ষম তাদের ক্ষেত্রে হয়তো সমস্যা হয় না দিনে ৬ ঘণ্টার কম ঘুমালে। কিন্তু যারা ডায়বেটিসের সমস্যা, বা উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন তাদের অবশ্যই দিনে ৬ ঘণ্টা ঘুমানো উচিৎ।


যাদের হৃদরোগের সমস্যা আছে তাদেরও দিনে ৬ ঘন্টা ঘুমানো উচিৎ। সম্প্রতি গবেষণায় দেখা গেছে যারা হৃদরোগে আক্রান্ত হচ্ছেন তারা দিনে ৬ ঘন্টার কম ঘুমায়। এমনকি যারা ডায়বেটিসে আক্রান্ত তারাও দিনে ৬ ঘন্টার কম ঘুমায়।


গবেষকরা জানিয়েছেন তারা ১,৬০০ লোকের উপর পরীক্ষা করেছেন ২ টো গ্রুপ করে। একটি গ্রুপে উচ্চ রক্তচাপ আর ডায়বেটিসে আক্রান্ত রোগীদের রেখেছিলেন, আর একটা গ্রুপে ক্যান্সার আর হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীদের রেখেছেন। দুই ক্ষেত্রে তারা দেখেছেন দিনে ৬ ঘণ্টার কম ঘুমানো মানুষরাই এতে বেশি আক্রান্ত।


গবেষণা বলছে উচ্চ রক্তচাপ বা টাইপ২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মানুষরা দিনে ৬ ঘণ্টার কম বিশ্রাম বা কম ঘুমানোর জন্য তারা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়েছেন। সারাদিনে পরিশ্রমের পর ঠিকমত ঘুম হচ্ছে না বলেই ঠিক মত রক্ত সঞ্চালন হচ্ছে না, তাই রক্তচাপ বেড়ে যাচ্ছে। তার সাথে সাথে বেড়ে যাচ্ছে দ্রুত মৃত্যুর সম্ভবনা।


এখন মানুষের সময় কম, কাজের চাপ বেশি, তাই ঘুমের সময় নেই। আর কম ঘুমে বাড়ছে বিপদ। তাই গবেষকরা কিছু পরামর্শ দিয়েছেন ভালো ঘুমের জন্য। কারন ভালো ঘুম না হলে আমদের মস্তিস্ক কাজ করা বন্ধ করে দেয়।


প্রফেসর ওয়ার্কার বলেছেন প্রতিদিন নিদিষ্ট সময় ঘুমাতে হবে আর বিছানাও ছাড়তে হবে নিদিষ্ট সময়। ঘর অন্ধকার করে ঘুমানো জরুরী, কারন ঘুমের সময় মেলাটোনিন নামে এক হরমোন ক্ষরন হয় যা ঘুমের জন্য ভালো, কিন্ত অন্ধকার প্রয়োজন। তবে ঘুমের ওষুধ খেয়ে না ঘুমানো ভালো, তাতে ক্যান্সারের ঝুকি বাড়ে। তবে অধিক ঘুমই যে দ্রুত মৃত্যুর ঝুকি কমাবে সেরমও নয়। তবে পর্যাপ্ত ঘুম দরকার।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.