অর্ধনগ্ন হয়ে ঘরে থাকেন কেন, উঁকি মেরে ক্ষতি হচ্ছে মেয়ের
ODD বাংলা ডেস্ক: একজন নারী প্রতি দিন নিজের বাড়িতে খোলামেলা পোশাক পরে ঘুরে বেড়ান। তবে তার এই গতিবিধি যে দূর থেকে কেউ এক জন নজর রাখছে বা রাখতে পারে সেটা কল্পনাও করতে পারেননি তিনি। এক দিন সকালে হঠাৎই ঐ নারীর বাড়িতে এসে এক জন কলিং বেল বাজান। দরজা খুলতেই ঐ নারী দেখেন তার প্রতিবেশী সামনে দাঁড়িয়ে।
সবে জিজ্ঞাসা করতে যাবেন নারী কী প্রয়োজন, তার আগেই তার বিরুদ্ধে অভিযোগের ঝড় তোলেন প্রতিবেশী। অভিযোগটা কী? নারীকে প্রতিবেশী বলেন, বাড়িতে ঠিক মতো পোশাক পরুন। অর্ধনগ্ন হয়ে ঘুরে বেড়াবেন না। এতে আমার মেয়ের ক্ষতি হচ্ছে।
নারী জিজ্ঞাসা করেন, এর মানে কী? কী বলতে চাইছেন স্পষ্ট করে বলুন। তখন ঐ প্রতিবেশী জানান, তিনি যে স্বল্প পোশাক এবং প্রায় অর্ধনগ্ন হয়ে বাড়িতে ঘোরাফেরা করেন দূরবীন দিয়ে সেটা দেখতে পেয়েছে তার মেয়ে। তাই ঐ পোশাক পরা বন্ধ করতে হবে। ঠিক মতো পোশাক পরতে হবে। এ কথা শুনে খুব রেগে যান নারী।
তার প্রশ্ন, নিজের বাড়িতে কী পোশাক পরবো, কখন পরবো তা কেউ ঠিক করে দিতে পারে কি! রেডিট-এ তিনি লেখেন, সম্প্রতি মধুচন্দ্রিমা সেরে ফিরেছি। ঘুম থেকে উঠে বিকিনি পরে ঘরের মধ্যেই হাঁটাচলা করি। কফি এবং প্রাতরাশ বানাই। সম্প্রতি জানতে পেরেছি পাশের বাড়ি থেকে ছোট একটি মেয়ে দূরবীন দিয়ে আমার গতিবিধির উপর নজর রাখছে। এটা কী করে সম্ভব? আমার বাড়ির প্রতিটি জানালায় পর্দা টাঙানো। এর পরই নারী সন্দেহ প্রকাশ করেন, দূরবীন দিয়ে কোনো ভাবেই দেখা সম্ভব নয়। জানালার কাছে এসে পর্দা ফাঁক দিয়েই তার উপর নজর রাখা হয়েছিল।
তবে প্রতিবেশীর দাবি, নারী যে ধরনের পোশাক পরছেন তা দেখে তার মেয়ের নাকি ক্ষতি হচ্ছে। যদি ঐ পোশাক পরা বন্ধ না করেন তা হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ারও হুমকি দেন। নারী পাল্টা প্রশ্ন করেন, আমি আমার ঘরে যা খুশি পোশাক পরতে পারি। আপনার মেয়ে কেন উঁকি মারে। এটা তো ওর কাজ নয়! তাতে প্রতিবেশী ভদ্রলোক সাফাই দেন, ও বাচ্চা মেয়ে। কৌতূহলবশত করে ফেলেছে। ক্ষতি করার জন্য তো এমন কাজ করেনি। এই কথা শুনতেই প্রতিবেশীকে তার বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে বলেন নারী।
বিষয়টি তার স্বামীকে জানানোর পর তিনিও ঐ প্রতিবেশীর বক্তব্যকেই সমর্থন করেন। তাতে আরো অবাক হয়ে যান নারী। এর পরই নেটমাধ্যমে নিজের সমস্যা তুলে ধরে জানতে চান, তিনি ঠিক নাকি তার প্রতিবেশী।





Post a Comment