যে দেশে কোনো ফাস্ট ফুড নেই
ODD বাংলা ডেস্ক: অনেক দেশ ফাস্ট ফুড বিক্রির চেইন নিয়ন্ত্রণ করে। বিশেষ করে তারা তাদের শিশুদের এই সব খাবার থেকে রক্ষা করতে চায়। কিন্তু একটি দেশ পুরোপুরি ভাবে ফাস্ট ফুড বিক্রি নিষেধ করে দিয়েছে।
তার আগে বলা দরকার, ইউনিভার্সিটি অফ মিনেসোটার একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিশুরা প্রতি পাঁচ মিনিটে টেলিভিশনে একটি খাবারের বিজ্ঞাপন দেখে । দুর্ভাগ্যবশত, বিজ্ঞাপনগুলো প্রধানত অধিক চিনি এবং চর্বিযুক্ত খাবারের উপর ফোকাস করে। যেমন ফাস্ট ফুড, চিনিযুক্ত পানীয় এবং ক্যান্ডি, এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই যে অনেক শিশু স্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ করছে না। কিন্তু সেটা নিয়ন্ত্রণে নানা উদ্যোগ নিতে হচ্ছে।
বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ফাস্ট ফুডের প্রতি আকর্ষণ তৈরি করা রোধে কাজ করছে বিশ্বের ৮টি দেশ। এগুলোর মধ্যে রয়েছে- কানাডা, চিলি, ফ্রান্স, আয়ারল্যান্ড, মেক্সিকো, নরওয়ে, তাইওয়ান, ইউনাটেড কিংডম।
এদিকে বারমুডা দেশের বাজারে পুরোপুরি ভাবে ফাস্ট ফুড চেইন নিষিদ্ধ করে দিয়েছে। দ্য লস অ্যাঞ্জেল টাইমস এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উত্তর ক্যারোলিনা থেকে ৬০০ মাইল পূর্বে অবস্থিত এই দেশটি বিভিন্ন বিষয়েই সতর্ক। দেশটিতে জুয়া নিষিদ্ধ, যে কেউ চাইলেই ব্যক্তিগত গাড়ি কিনতে পারেন না, পুরুষরা শার্ট ছাড়া জনসমক্ষে আসতে পারেন না।
বিশ্বের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত বারমুডা সরকার একসময় আশঙ্কা করে, বিদেশি ফুড চেনগুলোকে ঢুকতে দিলে দেশে দূষণের পরিমাণ বাড়বে। তখন জঞ্জালের স্তূপে ভরে উঠতে পারে সৈকত। কারণ এই সংস্থাগুলো খাবার প্যাকেজিংয়ের ক্ষেত্রে প্লাস্টিক ব্যবহার করে। যা পরিবেশের জন্য হুমকি বলে বিবেচিত। বিশেষ করে সমুদ্রের পরিবেশ সুরক্ষায় প্লাস্টিক ব্যবহার বন্ধের কোনো বিকল্প নেই। সব মিলিয়ে পর্যটনকে সুরক্ষিত করতেই ফাস্ট ফুড নিষিদ্ধ করেছে দেশটি।





Post a Comment