করোনাভাইরাসের কবল থেকে বাঁচতে চান? আপনাকে সাহায্য করেতে পারে সূর্যের আলো, দাবি বিশেষজ্ঞদের
Odd বাংলা ডেস্ক: সারা বিশ্ব জুড়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনার সংক্রমণ। দিনে দিনে সারা পৃথিবীজুড়ে ক্রমশই ঊর্ধ্বমুখী করোনার গ্রাফ। কিন্তু এই কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে একটুকরো আশার আলো দেখালেন একদল মার্কিন গবেষক। তাঁদের দাবি সূর্যের তাপ খানিকটা হলেও কাবু করবে এই মারণ ভাইরাসকে। এমন দাবিতে তার্যতই যেন স্বস্তি ফিরছে। কিন্তু সূর্যালোক কীভাবে কাবু করবে করোনাভাইরাসকে?
গবেষকদের দাবি, সূর্যালোকের অতিবেগুনী রশ্মিই করোনাকে কাবু করতে পারে। তবে সূর্যালোকে করোনাভাইরাস আদৌ পুরোপুরিভাবে ধ্বংস হয়ে যেতে পারে কি না, তা নিয়ে নিশ্চিত করে কিছুই জানাননি তাঁরা। করোনার থাবায় আমেরিকা, ব্রাজিল, রাশিয়া এবং ভারতের মতো দেশের পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াল আকার ধারণ করেছে। যদিও করোনাকে কাবু করতে পারে এমন ভ্যাকসিন বা ওষুধের ওপর বিশেষজ্ঞরা নিরন্তর পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালালেও এখনও কোনও নিশ্চিত ওষুধের আবিস্কার করা যায়নি।
একাধিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানোর পর গবেষকরা জানিয়েছেন, সূর্যালোকের প্রভাবে আমাদের শরীরে ভিটামিন-ডি তৈরি হয়, যা আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। পাশাপাসি সূর্যালোক আমাদের শরীরে মেলানিন উৎপন্ন করে। আর এই মেলানিনেরও রোগ প্রতিরোধ ভূমিকা অসীম। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন এই মেলানিন করোনার বিরুদ্ধেও সমানভাবে লড়াই করতে পারবে। তবে তা নির্ভর করছে আক্রান্তের বয়স এবং তাঁর শরীরের ইমিউনিটি সিস্টেমের ওপর।
প্রসঙ্গত, এই মেলানিন নাম রঞ্জক পদার্থের উপস্থিতির জন্যই কিন্তু আমাদের ত্বকের রঙ হালকা বা গাঢ় অর্থাৎ ফর্সা বা কালো হয়ে থাকে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন এই মেলানিন যা শরীররে যত বেশি তাঁর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও তত বেশি। আর সেই কারণেই আমেরিকা, ইতালি, স্পেন, ফ্রান্স-এর মতো দেশের মানুষের শরীরে মেলানিন কম, তাই তাঁরা ফর্সা। অপরদিকে এশিয়া মহাদেশের অন্তর্ভূক্ত দেশগুলির মানুষের ত্বকে মেলানিনের উপস্থিতি বেশি আর সেই কারণেই এইসব দেশের মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি। আর সেই কারণেই ওইসব দেশের তুলনায় ভারতে করোনার প্রাদুর্ভাব এখন লাগামছাড়া হয়নি বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।





Post a Comment