সাফল্যের মুখ দেখল ভারতের কোভ্যাকসিন, প্রয়োগের পর সুস্থ রয়েছেন ৩৭৫ জন স্বেচ্ছাসেবক


Odd বাংলা ডেস্ক: বৈশ্বিক করোনা মহামারির কবলে পড়েছেন সারা বিশ্বের ২০.৭ মিলিয়ন মানুষ, মারা গিয়েছেন প্রায় ৭ লক্ষ ৫১ হাজার মানুষ। রাশিয়া বিশ্বের প্রথম করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন আবিস্কারের পর সারা বিশ্বের মানুষ আশায় বুক বেঁধেছে। সাত জন স্বেচ্ছাসেবক ইতিমধ্যেই করোনা ভ্যাকসিনের মূল পর্যায়ের ট্রায়ালের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন। সার বিশ্বের তাবড় বিজ্ঞানীরা ভ্যাকসিনের বিকাশ খুব দ্রুত গতিতে করছেন। 

সর্বশেষ পাওয়া খবর অনুসারে, কোভ্যাক্সিনের প্রথম পর্যায়ের ক্লিনিকাল পরীক্ষার প্রাথমিক ফলাফলে দেখা গিয়েছে যে, ভারতের প্রথম করোনভাইরাস ভ্যাকসিন ব্যবহার করা নিরাপদ। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিকেল রিসার্চ (আইসিএমআর) এবং ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজি (এনআইভি)-এর যৌথ উদ্যোগে হায়দরাবাদ ভিত্তিক ভারত বায়োটেক যৌথভাবে এই ভ্যাকসিন তৈরি করেছে। দেশজুড়ে ১২টি মেডিকেল ইনস্টিটিউটে যৌথ প্রচেষ্টায় এক এবং দ্বিতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল চালাচ্ছে। এইসব ইন্সটিটিউটের মধ্যে রয়েছে পাটনা ও দিল্লি এইমস, রোহটাক-এর পোস্ট গ্রাজুয়েট ইন্সটিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেস এবং নাগপুরের গিল্লুরকর হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ ইন্সটিটিউট। 


এখনও পর্যন্ত মোট ৩৭৫জন কোভিড রোগীর ওপর ট্রায়াল চালানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এই প্রয়োগ যথেষ্ট আশাব্যাঞ্জক বলে জানা গিয়েছে। কারণ ৩৭৫ জন স্বেচ্ছাসেবকের কারওরই শরীরে কোনও অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করা যায়নি। যাকে বলে, কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি তাঁদের শরীরে। তাই বিজ্ঞানীরা বলছেন, এখনও পর্যন্ত এই ভ্যাকসিনকে নিরাপদ বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে, নিরাপদ হলেও ভারতের কোভ্যাকসিনের কার্যকারিতা কতটা, এখনও বলা সম্ভব নয়।  এরজন্যে আরও পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করতে হবে।
Blogger দ্বারা পরিচালিত.