এই গ্রামে দুর্গার সঙ্গে আসেন শিবও! কিছুতেই কৈলাসে একা থাকেন না..
Odd বাংলা ডেস্ক: পশ্চিম মেদিনীপুরের হেটলাপাড়ার দূর্গাপূজা। এই হেটলাপাড়ায় মালেদের পূজা প্রায় ২০০-২৫০ বছরের পুরনো, যা এখনও সমান আড়ম্বরে পূজিত হয়।
এই পুজোর বিশেষত্ব হচ্ছে, পুজোর তোড়জোড় শুরু হয় জন্মাষ্টমী থেকে। এদিনে শিলাবতী নদীর উপনদী তমাল নদীর ধারে নির্দিষ্ট জায়গা থেকে মাটিপূজা করা হয়৷ সেই মাটি দিয়ে প্রতিমা নির্মাণের কাজ শুরু করা হয়। প্রতিবছর প্রতিমা বিসর্জনের পর কাঠামো মন্দিরে রেখে দেওয়া হয়।
প্রাচীন এই পূজায় দুর্গা একচালার। তবে মহিষাসুরমর্দিনী নন তিনি। তিনি এখানে শিব-দুর্গা, অর্থাৎ দুর্গার সঙ্গে থাকেন শিবও। দেবী দশভূজা নন, বরং দু’হাতে সবকিছু আগলাচ্ছেন তিনি। এক হাতে পদ্ম, অন্য হাতে বরাভয়। একচালায় শিব-দুর্গা বসে আর বাকি ছেলেমেয়েরা দাঁড়িয়ে থাকেন। বাড়ির তরফ থেকে শিবকে দেওয়া হয় রুপোর বেলপাতা, ত্রিশূল ও সাপ। দুর্গাকে দেওয়া হয় রূপোর হার, সোনার হার, সোনার নথ ও নুপুর।
অষ্টমীর দিন সন্ধিপুজোর সময় প্রতিবছর দুর্গার হাত থেকে পদ্ম খসে পড়ে। দে পরিবার এটিকে দৈবী ঘটনা ভাবতেই পছন্দ করেন। এটিই এই পুজোর সবথেকে আকর্ষণীয় বিষয়। দশমীতে সূর্যাস্তের আগে তমাল নদীতে দেবীর বিসর্জন দেওয়া হয়।





Post a Comment