ডিম খেয়েই কমতে পারে বাড়তি মেদ, তবে মাথায় রাখতে হবে এই ৫টি বিষয়
- ডিমের কুসুম কখনওই বাদ দেবেন না-
একটা ভুল ধারণা রয়েছে যে, ডিমের কুসুমে প্রচুর অস্বাস্থ্যকর ফ্যাট রয়েছে। তাই অনেকেই ডায়েট থেকে ডিমের কুসুম বাদ দেওয়ার কথা ভাবেন। এটিতে কোলেস্টেরল রয়েছে ঠিকই, কিন্তু সে জন্য খুব একটা প্রভাব পড়ে না। গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হল, ভিটামিন বি-২, বি-১২, ডি এর পাশাপাশি ফোলেট, ফসফেট, সেলেনিয়াম, ক্যালসিয়াম, জিঙ্কসহ একাধিক উপাদান থাকে ডিমের কুসুমে। তাই ওজন কমানোর পাশাপাশি শরীর ফিট রাখতে অত্যন্ত জরুরি ডিমের কুসুম। তাই ডিমের কুসুম কোনভাবেই বাদ দেওয়া যাবে না।
- ডিম রান্না করতে গিয়ে সঠিক তেলের ব্যবহার করুন-
ডিম রান্না করতে গিয়ে নানা ধরনের তেল ব্যবহার করা হয়। অনেককে আবার অল্প বাটার দিয়ে ডিমের তরকারি বানাতে দেখা যায়। এখনই সাবধান হন। কারণ দীর্ঘ দিন ধরে ভুল তেলের প্রয়োগে হার্ট অ্যাটাক বা হাই কোলেস্টেরলের সম্ভাবনা থেকে যায়। তাই নারকেল তেল বা অলিভ ওয়েল ব্যবহার করতে পারলে খুব ভাল।
- ডিমের পাশে যথাযথ খাবার খাওয়াটাও জরুরি-
স্বাস্থ্যকর ডায়েটের পাশাপাশি ওজন কমানোর বিষয়টিকে সুনিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ডিমের সঙ্গে কী খাওয়া হচ্ছে, সেই বিষয়টিতে নজর দেওয়া জরুরি। সেক্ষেত্রে ডিমের সঙ্গে পালং শাক, টমেটো, ক্যাপসিকাম, মাশরুম খাওয়া যেতে পারে। এতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে যা হজমের ক্ষেত্রেও কার্যকরী
- বেশিক্ষণ ধরে রান্না করা একদম নয়-
ওভারকুকিং মোটেও ভাল কথা নয়। ডিমকে বেশিক্ষণ ধরে রান্না করলে বা বেশি উষ্ণতায় ফোটালে ডিমের পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায়। এক্ষেত্রে প্রথমেই ডিমের মধ্যে উপস্থিত অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ও ভিটামিন এ নষ্ট হয়ে যায়। এমনকি ডিম বেশি উষ্ণতায় ফুটলে অক্সিসটেরলস নামে একটি উপাদান উৎপন্ন হয়, যা হৃদযন্ত্রের জন্য খুব ক্ষতিকর। তাই ডিমকে অল্প আঁচেই রান্না করা ভালো।
- ক্যালোরি কাউন্টে গুরুত্বপূর্ণ-
যদি ওজন কমাতে হয়, তা হলে ডিম কীভাবে খাচ্ছেন, সেই বিষয়ে নজর দেওয়াটা অত্যন্ত জরুরি। এ ক্ষেত্রে ক্যালোরি মেপে খেতে হবে। তাই ডিমের পোচ বা ডিম সেদ্ধ করে খাওয়া যেতে পারে। এতে শরীরে অতিরিক্ত ফ্যাট যুক্ত হয় না। আর ওজন কমানোর ক্ষেত্রেও তেমন অসুবিধা হয় না।
তবে সবকিছু করার আগে অবশ্যই একজন ডায়টেশিয়ানের পরামর্শ নিন।





Post a Comment