হিন্দু-মুসলিম-শিখ নয়, নিজেদের ধর্মের স্বীকৃতি চান ঝাড়খণ্ডের আদিবাসীরা
এদেশে বসবাসকারী আদিবাসী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে ধর্মীয় রীতিনীতিগত কিছু পার্থক্য থাকলেও তারা সকলেই প্রকৃতি পূজারী। আদিবাসী সম্প্রদায়ের লোকজনের দাবি, অনেক আগে আদম শুমারির সময় তারা নিজেদের ধর্ম উল্লেখ করার সুযোগ পেতেন। তবে স্বাধীনতার পর থেকে শুধু হিন্দু, মুসলমান, খ্রিস্টান, শিখ, বৌদ্ধ ইত্যাদি প্রধান ধর্মগুলোর মধ্যেই একটাকে বেছে নেওয়ার অপশন রাখা হয়। সেসব দেখে ঝাড়খণ্ড রাজ্যে দীর্ঘদিন ধরে তা বদল করার দাবি উঠেছে।
জানা গিয়েছে, ঝাড়খন্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনই প্রস্তাবটি করেছেন। তিনি বলেছেন, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার বিষয়টি মেনে নিলে ২০২১ সালের জনগণনা ফর্মে হিন্দু, মুসলিম, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ ইত্যাদি প্রধান ধর্মের সঙ্গে সার্না ধর্মের নামও উল্লেখ করা থাকবে।আদিবাসীদের ধর্মগুরু বন্ধন টিগ্গা বলছেন, 'ছয়টি ধর্ম দিয়ে জনগণনার সময় ভারতের নাগরিকদের পরিচিতি নথিভুক্ত করা হয়। কিন্তু এর বাইরেও আমরা তপশিলভুক্ত জনজাতি।' তিনি আরও বলেন, আদিবাসীরাও ভারতেরই বাসিন্দা। কিন্তু আমাদের কোনও ধর্মীয় পরিচয় লেখা থাকে না। আমরা প্রকৃতির পূজারী, আমাদের ধর্মের নাম সার্না।'





Post a Comment