ভারতে প্রথম দফার করোনার টিকা পাবেন কারা? কীভাবেই বা হবে বন্টন, জেনে নিন সবটা


Odd বাংলা ডেস্ক:
২০২১ সালের শুরুর দিকেই ভারতে প্রথম করোনা ভ্যাকসিনের ছাড়পত্র পাওয়া যেতে পারে। আর তারপরই অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে মানুষের মধ্যে টিকাকরণ শুরু হবে। তবে ভারতের মতো বিরাট জনসংখ্যার দেশে কীভাবে করোনা ভ্যাকসিন বণ্টন হবে তা নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব রাজেশ ভূষণ বলেন, 'প্রথম মাসে সীমিত সংখ্যায় ভ্যাকসিন পাওয়া যেতে পারে বলেই আমাদের ধারনা। যদিও ধাপে ধাপে আরও বেশি পরিমাণ ভ্যাকসিন আমাদের হাতে পৌঁছবে। তাই অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে টিকাকরণ কর্মসূচী চলতে থাকবে।'

কে আগে ভ্যাকসিন পাবেন?- এনইজিভিএসি-এর সুপারিশ অনুযায়ী প্রথমে স্বাস্থ্য কর্মীদের এই ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। এর পরেই পুলিশ ও সশস্ত্র বাহিনী, পুরসভার কর্মীরা যাঁরা সামনের সারিতে থেকে করোনা যুদ্ধে কাজ করে চলেছেন তাদের ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ শুরু হবে। এছাড়াও ৫০ বছরের বেশি বয়সের নাগরিক ও ৫০ বছরের কম বয়সী নাগরিক যাঁদের কোমর্বিডিটি রয়েছে এমন মানুষদের আগে ভ্যাকসিন দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। তবে সুপারিশ দেখে যা বোঝা যাচ্ছে, তাতে যে দেশের তরুণ প্রজন্মকে করোনা টিকার জন্য লম্বা সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করার জন্য তুলনামূলক শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা থাকে। যদিও ভ্যাকসিন না পাওয়া পর্যন্ত তরুণ প্রজন্মকে সব ধরনের সতর্কতা মেনে চলা জরুরি।

কমিটির দ্বারা সুপারিশ করা অগ্রাধিকারের তালিকা সম্পর্কে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব রাজেশ ভূষণ বলেন, 'প্রথমেই স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের ভ্যাকসিন দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি দুই ক্ষেত্রের স্বাস্থ্য কর্মীদের বিবেচনা করা হচ্ছে। আমাদের ধারণা গোটা দেশে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে মোট এক কোটি কর্মী রয়েছেন। প্রথমেই এই কর্মীদের টিকাকরণ করা হবে।এর পরেই যারা সামনে থেকে করোনা যুদ্ধে অংশ নিচ্ছেন তাদের টিকা দেওয়া হবে। এর মধ্যে রয়েছেন কেন্দ্রীয় ও রাজ্য পুলিশ, সশস্ত্র বাহিনী, হোম গার্ড, সিভিল ডিফেন্স অর্গানাইজেশনের কর্মী ও পুর কর্মীরা। এই পর্যায়ে মোট দুই কোটি মানুষকে টিকা দেওয়া হবে।'

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.