Odd বাংলা ডেস্ক: সেখানে মেয়েদের বয়স মাত্র ১০ বছর হলেই পরিবার থেকে তাদের যৌনকর্মী হতে বাধ্য করা হয়। আর পরিবার জেনেবুঝেই মেয়েদের যৌনকর্মী হিসেবে বিক্রি করে দেয়। ভারতের মধ্যপ্রদেশের বাছারা উপজাতির লোকজনরা এ ধরনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।
ওই প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, বাছারা উপজাতির ওই যৌনকর্মীরা আসলে স্থানীয়ভাবে দলিত সম্প্রদায়ের। নারীদেরকে বছরের পর বছর ধরে কোনো ধরনের চাকরিতে প্রবেশ করাতে না পেরে নিরুপায় হয়ে যৌনকর্মী বানিয়ে দু-পয়সা রোজগারের চেষ্টা করে তাদের পরিবার।
মানেকা নামে কিশোরীকে তার মা যৌনকর্মী হতে বাধ্য করেছেন। মানেকা বলেন, ১৫ বছর বয়সে আমাকে এই পেশা গ্রহণে বাধ্য করা হয়। এখন আমার দুই বছরের সন্তান আছে। সবমিলিয়ে খুব খারাপ একটা পরিস্থিতির মধ্যে আছি। আমাকে ফাঁদে ফেলা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, আমি তো মনে করি, আমার জন্মই হয়েছে ভুল জায়গায় এবং ভুল কাজ করার জন্য। কিন্তু এছাড়া আমি কী করবো? আমি তেমন কিছু বলতেও পারি না, কারণ এটাই আমাদের পরম্পরা।
সেখানে কোনো মেয়ের বয়স ১০ বছর হলেই তার জন্য পরিবার থেকেই খদ্দের খোঁজা শুরু হয়। অথচ, ২০১৮ সালেই শিশু ধর্ষণ বিষয়ক আইন করেছে ভারত সরকার। সেই আইন কোনো কাজেই আসে না বাছারা উপজাতির নারীদের।
মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, যেসব লোক সেখানে খদ্দের সেজে গিয়ে শিশুদের সঙ্গে নোংরামি করেন, তারা আসলে ধর্ষক। জানা গেছে, কমবয়সী নারীদের ক্ষেত্রে সেখানকার পরিস্থিতি ভয়াবহ। দিনে ১০-১২ জন খদ্দেরের সঙ্গে বিছানায় যেতে হয় শিশু যৌনকর্মীদের। কিশোরীরা প্রতিদিন সেখানে গণধর্ষণের শিকার হচ্ছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।





Post a Comment